ভালো ব্যবসা করছে বাংলালিংক

ভালো ব্যবসা করছে বাংলালিংক।

অনেক দিন পর ভালো একটি সময় পার করছে দেশের তৃতীয় মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক।চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অপারেটরটির গ্রাহকের কথা বলার পরিমাণ বেড়েছে। বেড়েছে ডেটা খরচের পরিমাণও। ফলে তার ইতিবাচক প্রভাব আছে আয়ের ক্ষেত্রেও।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অপারেটরটির আয় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে গ্রাহক প্রতি মাসিক আয়ও। আর আগের বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিক ধরলে এই বছরের একই প্রান্তিকে মোট আয় প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১৫৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।অপারেটরটি বলছে, নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে গত এক বছরে অনেক টাকা বিনিয়োগ করেছেন তারা। আর একটু দেরিতে হলেও এর ফল পেতে শুরু করেছে।২০১৬ সালের শেষ দিকে রবি এবং এয়ারটেল একীভূত হওয়ার পর গ্রাহকের বিবেচনায় তিন নম্বরে নেমে যায় বাংলালিংক সেই সময় থেকেই নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তার মধ্যে কম স্পেকট্রাম থাকা ছিল তাদের জন্যে বড় সমস্যা। ২০১৮ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে আরও সাড়ে দশ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম কেনা এবং নেটওয়ার্কে আরও কিছু বিনিয়োগ করার পর থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে অপারেটরটি।জুন শেষে অপারেটরটির কাছে এখন কার্যকর গ্রাহক রয়েছে তিন কোটি ২৯ লাখ ৭১ হাজার। যার মধ্যে দুই কোটি দশ লাখ ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত। এপ্রিল-জুন এই তিন মাসে মোবাইল ডেটা বেচে তারা আয় করেছে ২২৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।গত বছরের এই সময়টিতে বাংলালিংকের একেকজন ইন্টারনেট গ্রাহক যখন মাসে ৬৮৪ মেগাবাইট করে ডেটা ব্যবহার করেছেন, সেখানে এ বছর জুনের পর সেটি প্রায় দ্বিগুন হয়ে উঠে এসেছে এক হাজার ২৫০ মেগাবাইটে।ভয়েস কলের আয়ও তাদের আগের চেয়ে বেড়েছে।তাতে তাদের গ্রাহক গড় প্রতি আয় মাসে দাঁড়িয়েছে ১১৪ টাকা। যেটি এক বছর আগেও ছিল ১১১ টাকা।সাম্প্রতিক সময়টা ভালো কাটালেও সামনের দিনে বাংলালিংকসহ গোটা মোবাইল টেলিকম খাতই ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন তারা। আর এক্ষেত্রে পাস হওয়া ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটে সিম ট্যাক্স একশ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুইশ টাকা করা এবং স্মার্টফোনের আমদানির শুল্ক বাড়ানোকে কারণ হিসেবে বলছে অপারেটরটি।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here