টেলিটকের লাইসেন্সের মেয়াদ ৩১ আগস্ট শেষ হচ্ছে

টেলিটকের লাইসেন্সের মেয়াদ ৩১ আগস্ট শেষ হচ্ছে।

লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে বিটিআরসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সরকারি অপারেটর টেলিটক।অপারেটরটির ১৫ বছরের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র ২৪ দিন বাকি আছে ।টেলিটকের ডিজিএম সাইফুর রহমান খান টেকশহরডটকমকে জানান, দেড় মাস আগে নির্ধারিত ফি দিয়ে তারা বিটিআরসির কাছে লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেছেন।‘লাইসেন্স নবায়নে এখন তারা নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চিঠির অপেক্ষা করছেন। সেখানে নির্দেশনা অনুয়ায়ী পদক্ষেপ নেবে টেলিটক কর্তৃপক্ষ’ বলছিলেন তিনি।এদিকে বিটিআরসির সর্বশেষ কমিশন বৈঠকে বিষয়টি উঠেছিল। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।
এর আগে ২০১১ সালে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের লাইসেন্স নবায়ন হয়। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি এবং সিটিসেলের লাইসেন্স নবায়নের সময় স্পেকট্রাম চার্জ হিসেবে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা নেয় বিটিআরসি। যার অর্ধেকটাই যায় গ্রামীণফোনের পকেট থেকে।তখন লাইসেন্স ফি হিসেবে ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা। তবে অপারেটরগুলোর স্পেকট্রাম চার্জের জন্যেই বড় অংকের টাকা পরিশোধ করতে হয়।এখন টেলিটকের বিষয়ে কি হবে সেটি চূড়ান্ত না হওয়ার কারণেই সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্র।২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশের পঞ্চম অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স নিয়েছিল তারা। যদিও সেবা চালু করতে করতে আরও এক বছরের বেশি সময় লেগে যায়।লাইসেন্স নেওয়ার আগেই তখনকার বাংলাদেশ টেলিফোন অ্যান্ড টেলিগ্রাফ বোর্ডের (বিটিটিবি), এখনকার বিটিসিএলের একটি প্রকল্প হিসেবেই মোবাইল সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে আলাদা কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স পায় তারা।শুরুতে গ্রাহকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেললেও পরবর্তীতে আর সুবিধা করতে পারেনি সরকারি কোম্পানিটি। গ্রাহক সেবায় নতুন কিছু করতে না পারায়ই মূলত তারা সুবিধা করে উঠতে পারেনি বলে মনেকরছেন সংশ্লষ্টরা।তবে এর মধ্যে ২০১২ সালে আবার অন্য বেসরকারি অপারেটরদের অন্তত এক বছর আগে থ্রিজি সেবা চালু করে টেলিটক। তখন পরীক্ষামূলকভাবে সেবা চালু করলেও পরে লাইসেন্স নিয়েছে তারা। তবে স্পেকট্রামের মূল্য এখনও পরিশোধ করেনি অপারেটরটি।এই যাত্রায় তারা আরও কিছু গ্রাহককে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হয়। কিন্তু আদতে তাদের গ্রাহক সেই অর্থে কখনোই বাড়েনি।আর সে কারণেই কখনোই তাদের মার্কেট শেয়ার তিন শতাংশের ওপরে ওঠেনি।বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের জুন মাসের হিসেব অনুসারে দেশে মোট কার্যকর সিম আছে ১৬ কোট ১৭ লাখ যার মধ্যে টেলিটক মাত্র ৩৮ লাখ ৯৬ হাজার। অথচ এই অপারেটরটির গ্রাহকই এক সময় অর্ধকোটিতে চলে গিয়েছিল।জুনের হিসেব অনুসারে টেলিটকের মার্কেট শেয়ার এখন মাত্র ২ দশমিক ৭১ শতাংশ।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here