গ্রামীণফোনের সালিশ প্রস্তাবকে ‘ডিলে কৌশল’ হিসেবে দেখছে বিটিআরসি

গ্রামীণফোনের সালিশ প্রস্তাবকে ‘ডিলে কৌশল’ হিসেবে দেখছে বিটিআরসি।

পাওনা দাবি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার গ্রামীণফোনের প্রস্তাবকে দেরি করার কৌশল হিসেবে দেখছে বিটিআরসি।অপারেটরটির কাছে অডিট আপত্তির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা দাবি করছে বিটিআরসি। আর পাওনা পরিশোধ না করায় প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বৃহস্পতিবার অপারেটরটির ৩০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ ব্লক করে দেয় নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।এই পরিস্থিতিতে রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অপারেটরটি বিটিআরসির পাওনা দাবির বিষয়টি সুরাহা করতে আরবিট্রেশন বা সালিশের প্রস্তাব রাখে।সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি জানান, অডিট আপত্তির দাবির বিষয়ে আদালতে যেতে চান না তারা। এটি আরবিট্রেশনের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করা যায়।তবে বর্তমান আইন অনুয়ায়ী এখন আরবিট্রেশনের সুযোগ নেই বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক।রোববার বিটিআরসি কার্যালয়ে গ্রামীণফোনের প্রস্তাব বিষয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আরবিট্রেশনের মূল বিষয় হলো সালিশ। তো আসেন না, বসি, আলোচনা করি। আলোচনার দরজা খোলা। যতটুকু রাজি হন তাই টাকা আগে দেন তারপর আলোচনা করি।’‘কথায় কথায় মামলা হয়, উভয়পক্ষের পয়সা খরচ হয়, সময় নষ্ট হয়। সেখানে আরবিট্রেশনে সমস্যা নিষ্পত্তি ভাল হয়। সংশোধিত টেলিযোগাযোগ আইনে আরবিট্রেটর নিয়োগের বিধান রাখার অনুরোধ করেছে বিটিআরসি। সংসদে পাস হলে তখন আইন অনুযায়ী হবে’ বলছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।জহুরুল হক বলেন, অনেকবার গ্রামীণফোনের বক্তব্য শোনা হয়েছে। তাদের যথেষ্ট সময় দেয়া হয়েছে। এরপর অডিট ফাইনাল হওয়ার পর এক বছরের বেশি সময় চলে গেছে। তারা বিভিন্ন সময় এই-সেই ব্যাখ্যা দেয় কিন্তু টাকা দিতে চায় না। এই পাওনা অডিটের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা। এটা পাবলিক ডিমান্ড। সালিশের মাধ্যমে সুরাহার নামে তারা ডিলে করতে চায় আসলে।

টেক শহর

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here