গ্রামীণফোনের ওপর পড়তে পারে এনওসি বন্ধের খড়গ

গ্রামীণফোনের ওপর পড়তে পারে এনওসি বন্ধের খড়গ।

ব্যান্ডউইথ ব্লক হতে মুক্তি পেলেও জিপির ওপর পড়তে পারে নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসি বন্ধের খড়গ।জিপির কাছে অডিট আপত্তির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা আদায়ে এই ব্যবস্থা নিতে পারে বিটিআরসি। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় এর আগে বিটিআরসির নেয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিন্ধান্ত তুলে নিচ্ছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। বুধবার সকালে এ নিয়ে বিটিআরসির বৈঠকে ব্যান্ডউইথ ব্লক তুলে দেয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেয়া হবে। পাশাপাশি এই বৈঠকে গ্রামীণফোনের এনওসি বন্ধের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটরটির সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে ।সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।তাই এনওসি বন্ধ হলে বেশ ঝামেলাতেই পড়বে গ্রামীণফোন। এর আগে মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা বিটিআরসির পাওনা আদায়ে দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্ত তুলে দিয়ে অন্য কোনো উপায় দেখতে বলেন।ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিভাগটির উধ্বর্তন কর্মকর্তা, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিরা।এই বৈঠকের আগে সোমবার গণভবনে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর সিইওদের বক্তব্য শোনেন তিনি। সেখানে সিইওরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।গত ৪ জুলাই অডিট আপত্তির পাওনা আদায়ে গ্রামীণফোনের জন্য বরাদ্দ ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ৩০ শতাংশ ব্লক করে দেয় বিটিআরসি।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here